হোম > জাতীয়

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে সৈয়দ আবদাল আহমদের যোগদান

আমার দেশ অনলাইন

সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) হিসেবে যোগ দিয়েছেন সৈয়দ আবদাল আহমদ। আজ সোমবার যোগদানের পরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এর আগে গতকাল সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সচিব পদমর্যাদায় (গ্রেড-১) হিসেবে তাকে নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অন্য যে কোন পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার (গ্রেড-১) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো।

এতে আরো বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের দু'বারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ ১৯৯২-৯৬ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপ-প্রেসসচিব (সরকারের উপ-সচিব পদমর্যদা) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য ১৯৮৯ সালে মর্যদাপূর্ণ ফিলিপস পুরস্কার, এসকাপ-এফইজেবি পুরষ্কার এবং ২০২৫ সালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

পেশায় সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমদের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৮ নভেম্বর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগরের নাসিরপুর গ্রামে। তবে তিনি সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে পড়াশোনা করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে বিএসসি অনার্স ও এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮২ সালে দৈনিক বাংলায় বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করে এ পত্রিকায় ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দৈনিক আমার দেশ ছাড়াও কাজ করেছেন বাসস, দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক দিনকাল, সাপ্তাহিক বিচিত্রাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।

সৈয়দ আবদাল আহমদ ২০১১-২০১৫ সময়ে দু'মেয়াদে টানা পাঁচ বছর জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির জীবন সদস্য। প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সদস্য হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক আমার দেশ-এর নির্বাহী সম্পাদক ও কিশোর মাসিক টুনটুনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক। তিনি ২০ টিরও বেশি বইয়ের লেখক। এর মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো, নন্দিত নেত্রী খালেদা জিয়া (প্রথম জীবনীগ্রন্থ) বুড়িগঙ্গা তীরের রহস্যনগরী, কিংবদন্তির জিয়া, চিরকালের ছড়া কবিতা, মহান ভাষা আন্দোলন, জলবায়ু পরিবর্তন, নবীজি (সা.), গণতন্ত্রের সংগ্রাম, পড়শী বাড়ীর খোঁজখবর, জলচর আদুরে প্রাণী ডলফিন, পাঁচটি গণ আন্দোলন, প্যারিস আইফেল টাওয়ার মোনালিসা, টুনটুনির গল্প, বিজয় ও স্বাধীনতা।

এমপি

দায়িত্বে অসম্ভব চাপ অনুভব করছি: প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্তের ঘটনায় আসকের উদ্বেগ

উষ্ণবৃষ্টির সঙ্গে ১৩ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ

হেলিকপ্টার দিয়ে আকাশ থেকে বীজ ছিটিয়ে লাগানো হবে গাছ: আইএসপিআর

প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বেনজীরকে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের নথি

মোহাম্মদপুরে ওসি-এসআইকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করল ছিনতাইকারীরা

ডিএমপির নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা

ফ্যাসিজমই আ.লীগের আদর্শ ও মূলনীতি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রাণিসম্পদ খাতের গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধির আশ্বাস মন্ত্রীর