হোম > খেলা > ক্রিকেট

বাংলাদেশে ফিরছে বল-বয় সংস্কৃতি

স্পোর্টস রিপোর্টার

যদিও বলে দেওয়া হয়েছে বল-বয় নয়, তাদের ডাকা হবে ফিউচার স্টার্স নামে। তবে বিশ্বজুড়ে তাদের পরিচিতি বল-বয় নামে। বল কুড়িয়ে খেলোয়াড়দের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই তাদের কাজ। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবল-টেনিসের মতো খেলাগুলো এই দৃশ্য নিয়মিতই দেখা যায়। এসব দায়িত্ব পালন করেন সাধারণত, খুদে খেলোয়াড়রা। তাদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়, তারা যেন সামনে থেকে দেখে বড় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে নিতে পারেন অনুপ্রেরণা।

সবশেষ ২০০৪-০৫ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই বল-বয়ের সংস্কৃতির দেখা মিলেছিল। পরে দুই দশক সেই সংস্কৃতি আর দেখা যায়নি ক্রিকেট মাঠে। দায়িত্ব নিয়ে সেই পুরোনো সংস্কৃতি ফেরাতে যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে এই বাউন্ডারি লাইনের বাইরে দেখা যাবে বল-বয়দের। চট্টগ্রামের হয়ে খেলা অনূর্ধ্ব ১৪ ও ১৬ দলের ক্রিকেটাররা বল-বয় হিসেবে কাজ করবেন আজকের ম্যাচে। পুরো মাঠজুড়ে থাকবেন মোট ২২ জন বল-বয়।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে বল-বয় থেকে বড় ক্রিকেটার হওয়ার উদাহরণ আছে বেশ কয়েকটি। বিসিবির বর্তমান সভাপতি ও সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল—এক সময় মাঠে বল-বয় হিসেবে কাজ করেছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম সুপার স্টার ক্রিকেটার ও বর্তমানে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুলও কাজ করেছেন বল-বয় হিসেবে। এছাড়া শাহরিয়ার নাফিসেরও আছে সেই অভিজ্ঞতা। খুদে ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতেই বল-বয় সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটা নিয়েছে বিসিবি।

পাকিস্তান সিরিজে প্রথম টেস্টে নতুন মুখ অমিত-তামিম

মাঠের বিজ্ঞাপন ব্যানারে পেরেকের জায়গায় রংতুলি

জিতলেও বোনাস নেই, হারলেই জরিমানা

‘মুভ অন’ করে এখন লক্ষ্য ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা

টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতি শুরু

কোচদের লক্ষ্য বেঞ্চ শক্তিশালী করা

নাহিদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সোধি

শেষ ম্যাচে হেরে শ্রীলঙ্কার কাছে সিরিজ খোয়াল বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাংলাদেশ দল ঘোষণা

আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে নাহিদা ও শারমিনকে জরিমানা