দারুণ এক কীর্তিই গড়লেন অমিত হাসান। ব্যাটিংয়ে বীরত্ব দেখালেন বিসিএলে। আগের দিন ছিলেন ৮৮ রানে অপরাজিত। আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের খেলায় অমিত হাসান ইনিংসটাকে আরো বড় করেছেন। সাজঘরে ফেরার আগে খেলেছেন ১৬২ রানের দুর্বার এক ইনিংস। তার ব্যাটিং নৈপুণ্যে পূর্বাঞ্চলও আদায় করে নিয়েছে বড় লিড। তবে অমিতের সেঞ্চুরির মাহাত্ম্য অন্য জায়গায়। অমিত এমন এক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন, যে ম্যাচে শুরুর একাদশেই ছিলেন না! প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কনকাশন-বদলি হিসেবে নেমে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া প্রথম ব্যাটসম্যান হলেন অমিত।
পূর্বাঞ্চলের হয়ে গ্লাভস হাতে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন জাকের আলি অনিক। আর অমিত ছিলেন একাদশের বাইরে। ইনিংসের ৫৬.২ ওভারে পেসার খালেদ আহমেদের বল আঘাত করে জাকেরের বুকে। বলের আঘাতে সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন মাঠে। পরে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন। শুরুতে বদলি উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে মাঠে নামেন অমিত। পরে ম্যাচ রেফারি জানান অমিত কনকাশন সাবস্টিটিউট হিসেবে খেলবেন। কারণ জাকের রয়েছেন ৩৬ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে।
অমিতের সেঞ্চুরির সঙ্গে মুশফিকুর রহিম (৮৩) ও ইয়াসির আলী চৌধুরীর (৭৯) হাফসেঞ্চুরিতে পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংস থেকে ৪৬৩ রান। মধ্যাঞ্চল প্রথম ইনিংসে ৩০৭ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায়। তৃতীয় দিনে ৮২ রান সংগ্রহ করতেই তারা খুইয়েছে ৭ উইকেট। মধ্যাঞ্চল পিছিয়ে পড়েছে ৭৪ রানে। তাই তো ইনিংস ব্যবধানে হারের শঙ্কা পেয়ে বসেছে মধ্যাঞ্চলকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
মধ্যাঞ্চল প্রথম ইনিংস : ৩০৭/১০, ৯১.৪ ওভার (আবু হায়দার ৯০, শিবলি ৮৬, সাদমান ৫৬; ইবাদত ৪/৫৪ ও তোফায়েল ৩/৩১)।
পূর্বাঞ্চল প্রথম ইনিংস : ৪৬৩/১০, ১১৬.০ ওভার (অমিত ১৬২, মুশফিক ৮৩, ইয়াসির ৭৯*; রাকিবুল ৫/১৫২ ও এনামুল হক ২/৯৪)।
মধ্যাঞ্চল দ্বিতীয় ইনিংস : ৭৪/৫, ২১.০ ওভার (মোসাদ্দেক ২২, শিবলি ১৩*, রবিন ১৩; মুরাদ ২/১৯, ইবাদত ১/১১ ও তোফায়েল ১/২২)।
* তৃতীয় দিন শেষে