পর্দা উঠল ব্যাংকার্স ক্লাব ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ১৩তম আসরের। উদ্বোধনী দিনে মাঠে গড়িয়েছে ৭টি ম্যাচ। মোট ১৪টি ব্যাংকের অংশগ্রহণে দিনভর জমজমাট লড়াইয়ে দেখা গেছে রানের বন্যা, দারুণ বোলিং আর ছক্কার ঝড়।
প্রথম ম্যাচে আইএফআইসি ব্যাংক টসে জিতে ফিল্ডিং নেয়। আগে ব্যাট করে এনআরবিসি ব্যাংক তোলে ৭ উইকেটে ১৪৮ রান। জবাবে আইএফআইসি থামে ১৩০/৮-এ। ১৮ রানের জয়ে ম্যাচ জেতে এনআরবিসি। ৪৯ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা হন মিন্টু। বল হাতেও ছিলেন কার্যকর (২/১৩)। সর্বোচ্চ ৭টি ছক্কাও আসে তার ব্যাট থেকে।
দ্বিতীয় ম্যাচে রাজশাহী কৃষি ব্যাংক ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। তারা ১২৭ রানে অলআউট হলেও ইসলামী ব্যাংক থামে ৭ উইকেটে ১২০ রানে। ৭ রানের জয় পায় রাজশাহী কৃষি ব্যাংক। ৩৫ রান ও ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা মুস্তাক। সোহাগ ও মুস্তাক বল হাতে দারুণ করেন। সর্বোচ্চ ৬টি ছক্কা হাঁকান রিংকু।
তৃতীয় ম্যাচে ব্র্যাংক ব্যাংক ফিল্ডিং নেয়। সোনালী ব্যাংক ৬ উইকেটে ১৪৭ করে। জবাবে ব্র্যাংক অলআউট হয় ১১১ রানে। ৩৬ রানের জয় পায় সোনালী ব্যাংক। ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা মতিউর। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন আরাফাত। তিনি হাঁকিয়েছেন সর্বোচ্চ ৫টি ছক্কা।
চতুর্থ ম্যাচে প্রাইম ব্যাংকক আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১০৮ রান তোলে। জবাবে ট্রাস্ট ব্যাংক ৮ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয়। ৪৯ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরা মেহেদি। বল হাতে নজিব ও পাপু ভালো করলেও ছক্কায় এগিয়ে ছিলেন মেহেদি (৬টি)।
পঞ্চম ম্যাচে ইবিএল আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২১৪ রান তোলে। জবাবে আল-আরাফাহ থামে ১০০/৮-এ। ১১৪ রানের বিশাল জয় পায় ইবিএল। ৫৩ রান করে ম্যাচসেরা তাজকির।
ষষ্ঠ ম্যাচে ঢাকা ব্যাংক আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১১৩ রান করে। জবাবে অগ্রণী ব্যাংক ৮ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান তুলে ২ উইকেটের জয় তুলে নেয়। ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংসে ম্যাচসেরা হন সুমন। বল হাতে হাবিব ও শৌরভ ভালো করেন। সুমন মারেন সর্বোচ্চ ৪টি ছক্কা।
সপ্তম ম্যাচে সিটি ব্যাংক আগে ব্যাট করে ২১৬/৭ স্কোর করে। জবাবে পূবালি ব্যাংক ১৪৩ রানে থেমে যায়। ৭৩ রানের বড় জয় পায় সিটি। ৯৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ম্যাচসেরা হন সাব্বির। ছক্কার ঝড়েও (১১টি) সবার ওপরে ছিলেম সাব্বির।
সব মিলিয়ে প্রথম দিনের ম্যাচগুলোতে ব্যাটসম্যানদের দাপট, বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং ছক্কার বৃষ্টি টুর্নামেন্টে বাড়তি উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।