কক্সবাজারের চকরিয়ার খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং বনের গাছ কেটে কোটিপতি বনে যাওয়া ট্রাক শ্রমিক নাজিম উদ্দিন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খোলস পাল্টে এই বালুখেকো এখন শাসকদলের ছত্রছায়ায়।
সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় বালুখেকো নাজিম উদ্দিন ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে নাজিম ও তার বাহিনী। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, বিগত দেড় দশক আগেও নাজিম উদ্দিনের পেশা ছিল দিনমজুরের। বালুর ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন তিনি। পরে ধীরে ধীরে রাতের আঁধারে সংরক্ষিত বনের গাছ চুরি করে বিক্রি করা শুরু করেন নাজিম উদ্দিন।
আওয়ামী লীগ নেতার ছত্রছায়ায় একের পর এক বনের গাছ কাটায় নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও করে বন বিভাগ। কিন্তু সে সময় চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থাকায় তাকে মামলা নিয়ে কোনো বেগ পেতে হয়নি। ওই নেতার হস্তক্ষেপেই একের পর এক জামিনে মুক্ত হয়ে যান তিনি।
এ ব্যাপারে জানতে চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবীর হাসানের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ সোহেল রানা বলেন, ‘আমার জানামতে, হারবাংয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণের জায়গাটি বন বিভাগের নয়। তারপরও আমি বিষয়টি চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছি।