হোম > সারা দেশ > খুলনা

লড়াই হবে বিএনপির বিদ্রোহীর সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে এখানে মূল লড়াই হবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী গাজী এনামুল হকের মধ্যে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী সাবেক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নেতা রশীদ আহমাদ প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে রয়েছেন।

জানা যায়, প্রাথমিকভাবে শুরুতে এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল শহীদ ইকবাল হোসেনকে। পরে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের অংশীদার হিসেবে আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় শহীদ ইকবাল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর পরও দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীদের বড় অংশ তার পক্ষেই নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মণিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া, দুর্বাডাঙ্গা ও খেদাপাড়া ইউনিয়নের সীমিতসংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। বাকি ইউনিয়নগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের অধিকাংশই শহীদ ইকবাল হোসেনের সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছেন।

প্রায় পৌনে চার লাখ ভোটার অধ্যুষিত এই আসনে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা প্রায় এক লাখ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, পূজা উদযাপন পরিষদ, মতুয়া সংগঠনসহ সাধারণ হিন্দু ভোটারদের একটি বড় অংশ প্রকাশ্যে শহীদ ইকবালের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। স্থানীয়রা মনে করেন, তিনবার মণিরামপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হওয়ার সময়ও তিনি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংখ্যালঘু ভোট পেয়েছিলেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছেও তিনি তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য ।

মণিরামপুর বাজারে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উপস্থিতির কারণে শহীদ ইকবালকে সহজে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তার রাজনৈতিক প্রভাব এখনো এলাকায় দৃশ্যমান।

অন্যদিকে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর অভিযোগ, সংগঠন ও জনসমর্থনহীন একটি দলকে আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। তাদের মতে, ধানের শীষ প্রতীক যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃতীয় অবস্থানে চলে যায়, তবে তা রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক বার্তা দেবে।

তারা আরো বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে মণিরামপুরে বিএনপির অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী তথাকথিত ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। বহু নেতাকর্মী মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন কিংবা কারাভোগ করেছেন। বিপরীতে জমিয়ত নেতা রশীদ আহমাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা জিডি নেই এবং তিনি কখনো কারাবরণ বা নির্যাতনের শিকার হননি। এ কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ তার পক্ষে মাঠে নামতে অনাগ্রহী।

স্থানীয়দের মতে, নির্বাচনি প্রচারে শহীদ ইকবালের পক্ষে চোখে পড়ার মতো জনসমাগম দেখা যাচ্ছে। তুলনামূলকভাবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর প্রচারে লোকসমাগম কম।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা নিয়মিত নির্বাচনি প্রচারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ করে নারী ভোটারদের মধ্যে জামায়াতের সাংগঠনিক তৎপরতা অন্য দুই প্রার্থীর তুলনায় বেশি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে শহীদ মো. ইকবাল হোসেন বলেন, তিনি নিজের জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আশাবাদী এবং কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনি মাঠ ছাড়ার প্রশ্ন নেই।

জামায়াতের প্রার্থী গাজী এনামুলের বক্তব্য জানার জন্য ফোন করা হলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আহসান হাবিব লিটন আমার দেশকে বলেন, আমরা বিজয়ের পথেই রয়েছি। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বলে তিনি জানান।

এমপি আমির হামজাকে যুবদল নেতার আইনি নোটিশ

এক মুরগি তিনবার জবাই করা যাবে না: যশোরে শিক্ষামন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় ৬ দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে

চুয়াডাঙ্গায় আঙিনার গর্তে পড়ে শিশুর মৃত্যু

আড়াই কোটি টাকার অবৈধ স্বর্ণের বারসহ আটক ১

সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সাঁড়াশি অভিযান

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ২১২ লিটার ডিজেলসহ রিক্সাভ্যান চালক আটক

ন্যায্য মজুরির অভাবসহ নানা বঞ্চনার শিকার ওজোপাডিকোর কর্মচারীরা

কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীমের লাশ পুলিশ প্রহরায় দাফন

মোংলা বন্দরে রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি, বাড়ছে রাজস্ব