হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদল কর্মী নিয়ে জমি দখলের অভিযোগ

প্রতিনিধি, কুবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) এক কর্মচারীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ছাত্রদল কর্মীদের দিয়ে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কর্মচারী জহিরুল ইসলাম।

গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। অভিযোগে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জিএম মনিরুজ্জামান, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবুল হায়াত, মালী কামাল, পরিচ্ছন্নতা কর্মী হাসান এবং কুবি শাখা ছাত্রদলের ১০ থেকে ১৫ জন কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় একটি ভিডিও ফুটেজও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। ভিডিওতে ঘটনাস্থলে শাখা ছাত্রদলের অন্তত আটজন কর্মীকে দেখা যায়। তারা হলেন বাংলা বিভাগের সাইফুল মালেক আকাশ ও আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুদ, আজহারুল ইসলাম ইমরান (আইন), জহিরুল ইসলাম জয় (ইংরেজি), সৌরভ কাব্য (এআইএস), খান মোহাম্মদ নাঈমসহ (ব্যবস্থাপনা শিক্ষা) আরো কয়েকজন। এছাড়া ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহীনকেও সেখানে উপস্থিত দেখা যায়।

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ১ নম্বর বিজয়পুর এলাকার লালমাই পাহাড়ের ধনমোড়া এলাকায় ২০১৯ সালে মোছলেম মিয়ার কাছ থেকে ৩০ শতক জমি কেনেন জহিরুল ইসলাম। একই এলাকায় হালিমা নামের এক নারীর কাছ থেকে পৃথকভাবে ৩০ শতক জমি কেনেন ড. জিএম মনিরুজ্জামান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. আবুল হায়াত।

জহিরুল ইসলামের দাবি, গত ২ মে বেলা ১১টার দিকে অভিযুক্তরা তার জমি দখল করতে যায়। এ সময় প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ওখানে যাওয়া শিক্ষার্থীরা আমাকে বলে, ‘এই খুঁটিগুলো তুললে তোর হাত ভেঙে ফেলব। থানায় মামলা করিস, সবাই আমাদের চিনে।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত শিক্ষকরা পাশের জমির মালিক হলেও প্রভাব খাটিয়ে তার জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাংলা বিভাগের ড. জিএম মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমাদের জমিগুলো পাশাপাশি। আমরা তাকে বলেছি, জমির পূর্ব মালিক ও একজন আমিন ডেকে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে। কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন।’

শিক্ষার্থীদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে নিয়ে যাইনি। তারা হয়তো নতুন ক্যাম্পাস দেখতে গিয়ে ঘটনাস্থলে আসে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কর্মচারীর বাগবিতণ্ডা দেখে এগিয়ে আসে।’

একইভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আবুল হায়াত। তিনি বলেন, এই জমি আমরা ২০১৯ সালে কিনেছি। কয়েক মাস আগে তিনি এসে দাবি করেন রাস্তার জায়গা বেশি পাবে।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষকরাই তাদের সেখানে যেতে বলেন। শিক্ষকদের অনুরোধেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, ‘আমরা ওই দিকে যাচ্ছিলাম। গিয়ে দেখি পরিচিত দুই শিক্ষক আছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, এর বেশি কিছু না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ আরেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘শিক্ষকদের সমস্যার কথা শুনে আমরা সেখানে গিয়েছি। জমি মাপার বিষয় ছিল।’

শাখা ছাত্রদলের একটি সূত্র দাবি করেছে, সাইফুল মালেক আকাশ, জহিরুল ইসলাম জয়, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসুদ ও খান মোহাম্মদ নাঈম ঘটনাটির নেতৃত্ব দেন। তবে এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, বিষয়টি এখনো পুরোপুরি জানি না। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। কেউ ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে অপকর্মে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আব্দুল হাকিম জানান, তিনি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন।

খুবির রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে নোমান-আবির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ডাকসুর উদ্যোগে গেস্টরুম-গণরুম ও নির্যাতনের স্মৃতি লিখন প্রতিযোগিতা

ইআবির উদ্যোগে ১৪৫ কৃতি শিক্ষার্থী ও ১০০ শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে অ্যাওয়ার্ড

ব্লু ইকোনমি গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে ঢাবি-ব্রিনের সমঝোতা

শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে গিয়ে আর ফেরেনি খুবির ৩৯ শিক্ষক

চবির ২৫০ মেধাবী ছাত্রীকে সংবর্ধনা দিল ছাত্রীসংস্থা

আপনাকে নিয়ে অডিটোরিয়ামে বসাবো, সেটাও আমাদের নেই

চবি শিবিরের নতুন কমিটি: সভাপতি রনি বহাল, সেক্রেটারি হাবিবউল্লাহ

সেকেন্ডেই মিলবে প্রাণীর প্রেসক্রিপশন