বিমলাইন ফর স্কুলস প্রতিযোগিতার ১৩তম সংস্করণের বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীরা। বিমলাইন ফর স্কুলস হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞানবিষয়ক একটি প্রতিযোগিতা। এটি সারা বিশ্বের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
অংশগ্রহণকারীদের সিইআরএন অথবা এর অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো একটিতে পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক পরীক্ষার প্রস্তাব জমা দিতে বলা হয়েছিল। তাদের প্রস্তাবের বৈজ্ঞানিক যোগ্যতার ভিত্তিতে পাঁচটি বিজয়ী দল নির্বাচন করা হয়েছে।
এই পাঁচটি দলের মধ্যে একটি বাংলাদেশের। নোয়াখালীর চৌমুহানী সরকারি সালেহ আহমেদ কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ ও রংপুরের কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের (সিএসসিআর) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘পোলারিস’ (POLARIS) দল তাদের প্রস্তাবিত পরীক্ষাগুলো সম্পাদনের জন্য বন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবে।
এছাড়া ভারতের বিভিন্ন স্কুলের (বানসাল জুনিয়র কলেজ নিজামাবাদ, গ্রিনউড হাই ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, দ্য শ্রী রাম গ্লোবাল স্কুল, গ্রেটার নয়ডা (পশ্চিম) এবং পূর্ব ইন্টারন্যাশনাল স্কুল দুর্গাপুর) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘ এটোপিয়ন’ (attoPION) দলটি এবং তুরস্কের বিভিন্ন স্কুলের (হুসেইন আভনি সোজেন আনাতোলিয়ান হাই স্কুল, ভালিদেবাগ সায়েন্স হাই স্কুল, আরাস্তিরমা গেলিশতিরমে এগিতিম ভে উইগুলামা মেরকেজি (এআরজিইএম) হাই স্কুল এবং দোগান জুচেলেওগ্লু সায়েন্স হাই স্কুল) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ‘পয়েনআইএসটিত্রি’ (PionIST 3) দলটি তাদের প্রস্তাবিত পরীক্ষাগুলো সম্পাদনের জন্য ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে সার্নে যাবে।
যুক্তরাজ্যের লিভারপুল ম্যাথস স্কুলের ‘মোবাইল এমআইপিএস’ (Mobile MIPs) এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টোরাস হাই স্কুলের ‘সেন্টোরি স্টারস’ (Centauri Stars) দল দুটি একটি ডেসাই (ডিইএসওয়াই) বিমলাইনে তাদের পরীক্ষা চালাবে।
বিমলাইন হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যা উপপারমাণবিক কণার উচ্চশক্তির প্রবাহ সরবরাহ করে, যা মৌলিক পদার্থবিজ্ঞান, ভৌতবিজ্ঞান এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
২০১৪ সালে ‘বিমলাইন ফর স্কুলস’ চালু হওয়ার পর থেকে অংশগ্রহণের হার ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ২০২৬ সালে ৮৯টি দেশ থেকে রেকর্ডসংখ্যক ৭১২টি দল একটি পরীক্ষামূলক প্রস্তাব জমা দেয়।
আরএ