হোম > ফিচার > আমার জীবন

বর্ষায় পায়ের বাড়তি যত্ন

সারা জাহান

বর্ষাকাল মানেই বৃষ্টিবাদলার দিন, যখন-তখন ঝুম বৃষ্টি। তাই বলে তো আর হাত-পা গুটিয়ে ঘরে বসে থাকা যাবে না। জীবনের তাগিদে প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করে বাইরে বেরোতে হয়, পানি–কাদায় একাকার প্যাচপেচে রাস্তায় চলতে হয়। এতে সবচেয়ে বেহাল দশা হয় পা দুটির। এ ছাড়া বর্ষার পানিতে পায়ের নানারকম ত্বকের সমস্যা তো আছেই। তাই বর্ষাকালে পায়ের যত্নের ব্যাপারে বিশেষ যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

বর্ষার সময়টায় পায়ে ফুসকুড়ি পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়, বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল। এ ক্ষেত্রে পায়ে মোম লাগিয়ে পেডিকিওর করার পদ্ধতিটা আরাম দেবে। বর্ষার সময় ১৫ দিন পরপর পেডিকিওর করানো উচিত। এ ছাড়া বাড়িতে সপ্তাহে দুদিন স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। চালের গুঁড়ার সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। পায়ে র‌্যাশ ওঠার প্রবণতা থাকলে নিমপাতার পেস্টও যোগ করে নিন। উজ্জ্বলতা বাড়াতে চাইলে স্ক্রাবের পেস্টে হলুদের গুঁড়া যোগ করে নিন। বাড়িতে পেডিকিওর করার সময় হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে নিন। এক টেবিল চামচ শ্যাম্পু এক গামলা পানিতে মিশিয়ে নিয়ে সেটাতেও কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। চামড়া নরম হয়ে এলে ঝামা দিয়ে ঘষে নিন। নখ পরিষ্কার করার সময় পুশার ব্যবহার করতে পারেন।

নখের ওপরের অংশ পরিষ্কার করার আগে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। এরপর লেবুর টুকরা নিয়ে নখ ঘষলেই চকচকে ভাব চলে আসবে। পা জোড়াকে ভালোমতো ময়েশ্চার করতে সবার শেষে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। এতে অনেকখানি শুষ্কতা কমে আসবে। আর পায়ে ছত্রাকের আক্রমণ যদি হয়েই যায়, তবে নিয়মিত গরম পানিতে লবণ দিয়ে পা পরিষ্কার করুন। এতে অনেকটা আরাম পাওয়া যাবে। এরপর নিমের সাবান বা নিমের প্যাক লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। পরিষ্কার করে নিন। এ ছাড়া চালের গুঁড়ার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি কিছুক্ষণ রেখে ভালো করে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। খুব বেশি সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গরমেও স্বস্তিপ্রদ রান্না

বৈশাখীর মেলায় যাই রে....

বৈশাখের তপ্ত দুপুরের পানীয়

বৈশাখী আনন্দে মেতে উঠুক সোনামণিরা

সুবর্ণগ্রামে একদিন...

বাঙালি সবসময় ভোজনরসিক

পর্যটন আইন

শিশুর উপযুক্ত পড়ার ঘর

বই পড়ার অভ্যাস থাকুক সারাজীবন

কাঠের আসবাবপত্র সুরক্ষায়…