হোম > ফিচার > তারুণ্য

তাদেরও আছে সাংবাদিকতার নেশা

রাবী সিদ্দিকী

বুটেক্স বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে, তবে বুটেক্সসাসের আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা, দুর্নীতির তথ্য উন্মোচন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচারে নিরলসভাবে কাজ করছে। বর্তমানে সদস্য সংখ্যা ২৬ জন, যারা ৪০টিরও বেশি অনলাইন, টেলিভিশন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বুটেক্স প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী পরিষদের সাতজন সদস্য নির্বাচন করা হয়। ইতোমধ্যে সংগঠনটি দুটি ম্যাগাজিন ‘অন্বেষণ’ ও ‘নবদর্পণ’ প্রকাশ করেছে, যেখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অ্যালামনাই, ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমে উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও সংগঠনের বিভিন্ন দিক।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বুটেক্সসাসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মিকসেতু মিঠু বলেন, ‘আমরা যখন বুটেক্সে ভর্তি হই, তখন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর ঘোষণা তিন বছর আগেই দেওয়া হয়েছিল। তবে নামের আগে বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হলেও, একটি পরিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবকাঠামো থাকা প্রয়োজন, আমাদের তার অনেক কিছুই অনুপস্থিত ছিল। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির ভাই-ব্রাদারদের একসঙ্গে আড্ডা দিতে দেখে আমাদের ক্যাম্পাসেও এমন একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। সে সময় নতুন শিক্ষার্থীরা ভিন্ন কিছু করার জন্য উদগ্রীব ছিল। সেই উদ্যম থেকেই বুটেক্স সাংবাদিক সমিতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাই, এতে সিনিয়র-জুনিয়র সবাই সমানভাবে সাড়া দেন। শিক্ষকরাও পাশে দাঁড়ান। প্রথম অফিশিয়াল মিটিং হয় হলের ছাদে, দ্বিতীয় মিটিং গেস্টরুমে, যেখানে আমরা গঠনতন্ত্র তৈরি করি। সেখান থেকেই শুরু আমাদের পথচলা। সেই ছোট্ট সংগঠনটি আজ বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এটি শুধু সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের আস্থার জায়গা নয়, বরং তাদের কণ্ঠস্বরও। সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বুটেক্স সাংবাদিক সমিতি এগিয়ে যাবে আরো বহুদূর—সেই দিন আর বেশি দূরে নয়।’

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘২০১৬ সালের জুন-জুলাই মাসে আমরা প্রথম বুটেক্সসাস গড়ে তোলার উদ্যোগ নিই। তখন ৩৮তম ব্যাচের মিকসেতু মিঠু ভাই বিভিন্ন দৈনিকে ফিচার লিখতেন, আমিও কালের কণ্ঠে লিখতাম। এ ছাড়া ৪০তম ব্যাচের লতিফুর রহমান লিটন, বর্ষণ দেব, ৪১তম ব্যাচের আতিকুর রহমান আতিক ও মোস্তাক ফুয়াদ রহমান মাবিন অনলাইন পত্রিকায় কাজ করতেন। একজন শিক্ষকের আগ্রহ এবং তারই মূল আইডিয়ায় আমরা কয়েকজন একত্র হই। প্রায় দুই মাস আমরা ওসমানী হলের মাঠে, ছাদে মিটিং করেছি। এরপর ২০১৬ সালের ৩১ জুলাই আমাদের স্বপ্নের বুটেক্স সাংবাদিক সমিতির যাত্রা শুরু হয়।’

বুটেক্সসাসের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল কমিউনিটি এবং টেক্সটাইল সেক্টরের সংবাদ সারা দেশে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বুটেক্সসাসের ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সংগঠনটির কর্মীদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার সুফল আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। বাংলাদেশে বুটেক্স এখন একটি সুপরিচিত নাম, যার প্রচারে বুটেক্সসাসের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আদর্শ হয়ে থাকুক বুটেক্সসাস।

যেভাবে রাজনীতির লাইমলাইটে ওসমান হাদি

নির্বাচনে কারা প্রার্থী হতে বা ভোট দিতে পারবেন না

সদ্য সমাপ্ত নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা : বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ন

বই মানুষের প্রকৃত বন্ধু

‘কৃষিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শিখতে জাপানে

উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান

ডাকসু ঘিরে বিদ্বেষ বিভাজন ও অপরায়নের রাজনীতি

চুয়েটে বিতর্ক উৎসব

দুই ব্যাচের মিলনমেলা