মাহমুদা ডলি

নানা সমস্যায় জর্জড়িত রাজধানী ঢাকা। রাজপথ থেকে অলিগলি ও ফুটপাত—কোথাও স্বস্তি নেই। নগরীর চারপাশের নদীগুলোর দূষণ বাড়ছে, মুক্ত হচ্ছে না অবৈধ দখল, কমছে না পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার। ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে উঠছে পরিবেশ।

নানা সমস্যায় জর্জড়িত রাজধানী ঢাকা। রাজপথ থেকে অলিগলি ও ফুটপাত—কোথাও স্বস্তি নেই। নগরীর চারপাশের নদীগুলোর দূষণ বাড়ছে, মুক্ত হচ্ছে না অবৈধ দখল, কমছে না পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার। ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে উঠছে পরিবেশ।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, শহরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত ও অপসারণ- দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। খুব শিগগির রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, শহরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্ত ও অপসারণ- দুটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। খুব শিগগির রাজধানীর সব ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর গুলশান ২-এর ৭৫ নম্বর সড়ক, যা এক সময় পরিচ্ছন্ন ও শান্ত অভিজাত সড়ক হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন তা রূপ নিয়েছে অবৈধ ব্যবসা ও পার্কিংয়ের স্বর্গরাজ্যে। প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে চলছে দোকান, চায়ের স্টল, ভাতের হোটেলÑএমনকি গ্যারেজও।

রাজধানীর গুলশান ২-এর ৭৫ নম্বর সড়ক, যা এক সময় পরিচ্ছন্ন ও শান্ত অভিজাত সড়ক হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন তা রূপ নিয়েছে অবৈধ ব্যবসা ও পার্কিংয়ের স্বর্গরাজ্যে। প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে চলছে দোকান, চায়ের স্টল, ভাতের হোটেলÑএমনকি গ্যারেজও।

রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর লেক এখন অস্তিত্বহীন। বলতে গেলে ২৪ একর আয়তনের বৃহৎ এ জলাশয় উধাও হয়ে গেছে। আর এ বিষয়টি সরাসরি কর্তৃপক্ষই বলছে। এ নিয়ে বারবার তদন্ত হয়, প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা হয়, বোর্ড মিটিং হয়, সিদ্ধান্ত হয়; কিন্তু বাস্তব রূপে ফিরে আসে না এ লেক। উল্টো বিগত বছরগুলোতে লেকের ভেতরেও প্লট সাজিয়

রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর লেক এখন অস্তিত্বহীন। বলতে গেলে ২৪ একর আয়তনের বৃহৎ এ জলাশয় উধাও হয়ে গেছে। আর এ বিষয়টি সরাসরি কর্তৃপক্ষই বলছে। এ নিয়ে বারবার তদন্ত হয়, প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা হয়, বোর্ড মিটিং হয়, সিদ্ধান্ত হয়; কিন্তু বাস্তব রূপে ফিরে আসে না এ লেক। উল্টো বিগত বছরগুলোতে লেকের ভেতরেও প্লট সাজিয়

রূপনগর কেমিক্যাল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের লাশ পেতে ২৪ ঘণ্টা ধরে ঢামেকের মর্গের সামনে অবস্থান করছেন স্বজনরা। কারো ছেলে, কারো মেয়ে, আবার কারো ভাই বা বন্ধু- সবারই একটাই আকুতি, প্রিয়জনের লাশটি যেন ফিরে পাওয়া যায়।

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে একটি রাসায়নিকের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের আরেক সদস্য মারা গেছেন। তার নাম নুরুল হুদা। তিনি টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। গতকাল বুধবার রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তার মৃত্যু হয়।

ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হলেও রাজধানীসহ সারা দেশে ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাদক সাম্রাজ্য এখনো অক্ষত রয়েছে। কোথাও কোথাও শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন ঘটলেও পুরো সাম্রাজ্য এখনো তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ একের পর এক ঝটিকা মিছিল করছে। দিনদিন বাড়ছে দলটির মিছিলের পরিধি। সর্বশেষ শুক্রবার রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা তেঁজগাওয়ে দলটির ঝটিকা মিছিলে হাজারেরও বেশি নেতাকর্মী অংশ নেন। ফলে ওই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতিতে গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পরিবহন মালিক-কর্মচারী সংগঠনের চাপে অসংখ্য যানবাহন পরীক্ষাবিহীন ও ফিটনেসবিহীন অবস্থায় রাস্তায় চলে। বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গতি নিয়ন্ত্রণে ত্রুটি থাকায় অনিয়ন্ত্রিত যানবাহনই ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়।

সড়ক পরিবহন আইন পাস এবং বিধিমালা জারি হলেও সড়ক-মহাসড়কের নৈরাজ্য এখনো বন্ধ হয়নি। আলোচিত সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর বিচার না হওয়া ও মামলার দীর্ঘসূত্রতার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা কমে গেছে। বিচারহীনতার কারণে সড়কের নৈরাজ্য থামছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের সড়ক ও মহাসড়গুলোয় দুর্ঘটনা যেন থামেছে না। এতে অনেক মানুষ হারাচ্ছে তাদের প্রিয়জন, অনেক পরিবার তাদের একমাত্র উপার্জক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে হচ্ছে নিঃস্ব। এমন অপূরণীয় ক্ষতি সত্ত্বেও দিনদিন সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।

রাজধানীর নতুন বাজার (মাদানী অ্যাভিনিউ ১০০ ফুট) থেকে বালু নদীমুখী সড়কটির করুণদশা কাটছেই না। বৃষ্টিতে দ্বিগুণ দুর্ভোগে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তার খানাখন্দ সীমাহীন কষ্ট দিচ্ছে শিক্ষার্থী ও অসুস্থদের। দুই বছর ধরে এ দুরবস্থা দেখতে দেখতে এলাকাবাসী চরম বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জুলাই বিপ্লব রূপ নিয়েছিল রণক্ষেত্রে। আন্দোলনের পুরোটা সময় বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিলেন ওই এলাকার মানুষ। পুলিশ এবং সরকারদলীয় অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মুহুর্মুহু নির্বিচার গুলি চালায় নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর। বাড়ে লাশের মিছিল।

রামপুরায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদিত খেলার মাঠে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। এক বছর ধরে দখলে রাখা মাঠঠিতে রাখা হয়েছে ভবনের নির্মাণসামগ্রী।

স্ত্রী আওয়ামী লীগের নেত্রী আর স্বামী নিউ মার্কেট থানা বিএনপির সাবেক নেতা। এখন এই স্বামী-স্ত্রীর কাছে জিম্মি নিউ মার্কেটের হাজার হাজার ব্যবসায়ী। দোকান দখল, কাউকে চাঁদা দিতে বাধ্য করা, কথা না শুনলে করা হয় মারধর—এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে এই জুটির বিরুদ্ধে। তাদের যৌথ চাঁদাবাজিতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ঝলসে যাওয়া শিশুদের চিকিৎসায় বিদেশি চিকিৎসক দলের সঙ্গে কাজ করছেন দেশের চিকিৎসকরা। এমন পরিস্থিতিতেও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা কমছে না।

রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত আরো পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ল্যাবে ডিএনএ পরীক্ষায় তাদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়

রাজধানীর উত্তরায় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধদের অধিকাংশকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। সেখানে পোড়া দেহ নিয়ে ভর্তি থাকা ছোট্ট সোনামণিদের কান্না ও তাদের স্বজনদের আহাজারিতে পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে আছে।

কমান্ড্যান্ট এস এম সোলায়মান আরও বলেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা আহত রোগীদের চিকিৎসা দেবে। প্রয়োজন হলে কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে পাঠানোর ব্যাপারে পরামর্শ দিবেন তারা। এছাড়াও সিএমএইচ থেকে দুজন শঙ্কায় থাকা রোগীকে স্থানান্তর করা হবে।

কমান্ড্যান্ট এস এম সোলায়মান আরও বলেন, সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরা আহত রোগীদের চিকিৎসা দেবে। প্রয়োজন হলে কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে পাঠানোর ব্যাপারে পরামর্শ দিবেন তারা। এছাড়াও সিএমএইচ থেকে দুজন শঙ্কায় থাকা রোগীকে স্থানান্তর করা হবে।

রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এখন যেন এক বেদনার জনপদ। একের পর এক দগ্ধ কচি কচি শিশুকে নেওয়া হচ্ছে সেখানে। নিচ থেকে পঞ্চম তলা পর্যন্ত প্রতিটি ওয়ার্ডের সামনে উদ্বিগ্ন স্বজনরা তাদের সন্তান ও ভাইবোনদের খুঁজছেন

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুগতরা ঘাঁটি গেড়ে বসে আছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে। সরকার পতনের এক বছর পরও জনগণের স্বাস্থ্যসেবা খাতের গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরটি দোর্দণ্ড প্রতাপে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। এদের বিরুদ্ধে দেশের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমসহ আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগও

সাবেক মেয়র ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা শেখ ফজলে নূর তাপসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন আরিফ চৌধুরী। তাপসের কাছ থেকে পদ-পদোন্নতি নেওয়া সেই আরিফ চৌধুরীই এখন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ানোর দাবিতে করা আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাবা দিবসের প্রবক্তা সোনার স্মার্ট ডোডের বাবার মতো বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বাবারা রয়েছেন যারা সন্তানকে এমন প্রতিদানহীন ভালোবাসা দিতে পারেন।

ঢাকা মহানগরীতে মশার দাপট এখন নাগরিক সংকটে রূপ নিয়েছে। সেই সঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে অতীতের যে কোনো সময়কে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা।

বৃষ্টির কাদাপানির মধ্যেই রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবারের বাজারে গত বছরের তুলনায় অনেক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে গরু। বিগত বছরগুলো থেকে প্রতিটি গরুর দাম কমেছে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

‘যারা জামাতে আসবেন, তাদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ থাকবে এমন কোনো ডিভাইস বা এমন কোনো যন্ত্রপাতি আনবেন না যেটা নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ মনে হতে পারে। প্রয়োজনে আপনাদের জায়নামাজও আনার দরকার নেই, পানির বোতলও আনার দরকার নেই।

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট আনুষ্ঠানিকভাবে গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। কিন্তু গতকাল বুধবার পর্যন্ত হাটে তোলা পশুর তুলনায় কম এসেছেন ক্রেতারা।

রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট এখনো জমে ওঠেনি। যদিও হাটগুলো ভরে গেছে গরু-ছাগল-মহিষে।

উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন একমাত্র স্থায়ী এ পশুর হাটটি সর্বোচ্চ দর ২৫ কোটি টাকার পরিবর্তে ১৫ কোটি ৭১ লাখ টাকায় বাগিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে

এক সময়কার উন্মুক্ত খেলার মাঠ, শিশুদের হাসি-আনন্দের কেন্দ্র আর তরুণ খেলোয়াড় তৈরির আঁতুড়ঘর ছিল আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠ। ধানমন্ডির এ মাঠ দুটি আজ সাধারণ মানুষের হাতছাড়া হয়ে গেছে।

এক সময়কার উন্মুক্ত খেলার মাঠ, শিশুদের হাসি-আনন্দের কেন্দ্র আর তরুণ খেলোয়াড় তৈরির আঁতুড়ঘর ছিল আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠ। ধানমন্ডির এ মাঠ দুটি আজ সাধারণ মানুষের হাতছাড়া হয়ে গেছে।

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট জারির ৩০ দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু শপথ পড়াতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ৩০ দিনের মধ্যে শপথ পড়ানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। শপথ পড়ানোর ব্যাপারে প্রতিদিনই বাড়ছে আইনি জটিলতা। তাতে ইশরাকের শপথ পাঠের অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) আন্দোলন কর্মসূচি ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) রাজনৈতিক দলগুলোর তদবিরবাণিজ্য, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গরুর ১৯টি হাটের ইজারা নিয়ে সম্পূর্ণ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় গোপন আস্তানা গড়ে তুলেছে আওয়ামী লীগ। এখান থেকে ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা ও নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। দেশে ও বিদেশে থাকা আওয়ামী ঘনিষ্ঠদের নিয়ে একটি চক্র এখন পুরোমাত্রায় সক্রিয়। শেখ হাসিনা ও জাহাঙ্গীর কবীর নানকের সঙ্গে এখান থেকে মোবাইলে নিয়মিত যোগাযোগ করা হয়।

আগে শুধু বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রব বাড়লেও এখন বছরজুড়েই মশায় অতিষ্ঠ নগরবাসী। ‘ডেঙ্গুর মৌসুম মে মাস’ শুরুর আগেই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন রোগী হাসপাতালে যাচ্ছেন।

জুলাই বিপ্লবের পর থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কৌশলেও পরিবর্তন এসেছে। আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যকে হাত করে পরিকল্পিত জনরোষ সৃষ্টি করা হতো। তবে এখন শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ভর করছে সাধারণ জনগণের ওপর।

জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারিতে ছিল রিতা আক্তার। স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হয়ে দেশের সেবা করার পাশাপাশি পরিবারের হাল ধরার। ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয় এই তরুণী। ফলে তার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।

জুলাই বিপ্লবে রাজধানীর রামপুরার মেরাদিয়াহাট এলাকায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মায়া ইসলাম। দিনটি ছিল ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই। বেলা ৩টার দিকে নাতি বাসিত খান মুসাকে আইসক্রিম কিনে দিতে ছয়তলার বাসা থেকে নিচে নামেন ৫২ বছর বয়সি মায়া।

বাংলাদেশের নারী-পুরুষের কাছে নববর্ষ মানেই রঙ, উৎসব, ঐতিহ্য আর প্রাণের ছোঁয়া। প্রতিবছরই এ উৎসবকে ঘিরে ফ্যাশন দুনিয়ায় চলে নতুন ট্রেন্ডের অনুসরণ।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, ডেমরা, কদমতলী ও রায়েরবাগে পুলিশ পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছে আন্দোলনকারীদের।

মা-বাবার সংসারে উপার্জনক্ষম মেয়ে ছিলেন মোসাম্মৎ লিজা। সাত বছর সংসারের খরচ চালিয়েছেন। আবার নিজেও মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। মেয়েকে হারিয়ে দিশাহারা অসুস্থ বাবা-মা। বিয়ে দেওয়ার জন্য কিছু খরচও জোগাড় করেছিলেন নির্মাণশ্রমিক বড় ভাই।

‘বুলেট মাথার ভেতর দিয়ে ঢুকে নাঈমার মাথার মগজ ছিটকে বের হয়ে আসে, আর সেই মগজ আমার হাতে লেগে যায়। নিজের সন্তানের নির্মম বীভৎস মৃত্যু আমি কী করে ভুলে যাব। পুলিশ ইচ্ছে করে পাঁচতলায় আমার মেয়েকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে।

‘আমার দিন-রাত, পৃথিবী, আমার জীবনÑ এর সবকিছুই ছিল রিয়া। সে এখন আর দুনিয়াতেই নেই। ফ্যাসিবাদের রোষানলের বুলেট আমার বুক থেকে ওকে কেড়ে নিল।

‘পুরুষ মানুষ আমি। আমি তো কাঁদতে পারি না। বুক ফেটে যায়। আমি শুধু অপেক্ষায় আছি ওর সঙ্গে কথা বলার জন্য। কবে মরব, কবে ওর সঙ্গে দেখা হবে। ওতো শুধু আমার মেয়ে ছিল না, ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে নেয়ামত। তাকে হারাইয়া ফালাইছি। এ কষ্ট আমি কারে বোঝাই।

নাফিসা হোসেন মারওয়া অনেক মেধাবী ছাত্রী ছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হয়ে জাতিকে সুচিকিৎসা দেওয়া। তার এসব আকাঙ্ক্ষা কাজকর্মে স্পষ্ট ছিল।